পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ০৮:৩৬ পিএম
পার্বত্যাঞ্চল প্রতিনিধি
ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫, ০৮:৩৬ পিএম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে হাদিস অস্বীকার করার অভিযোগে মানববন্ধন করেছে মাটিরাঙ্গার সর্বস্তরের জনগণ।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মাটিরাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে সড়কের দুই পাশে ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ঘণ্টাব্যাপী উপজেলার আলেম ওলামাসহ তৌহিদী জনতা মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
মাটিরাঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাও: হাফেজ মোহাম্মদ হারুনুর রশীদ এর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে, বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের প্রতিনিধি, মাও: আখতারুজ্জামান ফারুকী, ইসলামী আইন গবেষণা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি আল-আমিন হাবিবী, ইসলামী আইন গবেষণা পরিষদের নির্বাহী সদস্য হাফেজ মুফতী আব্দুল হান্নান জুলফিকার প্রমুখ বক্তব্য দেন।
জানা যায়, মিউনিসিপ্যাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আল-কুরআন ও আল-হাদিসে বিভিন্ন অপব্যাখ্যা দিয়ে আসছেন। তিনি নিজেকে আহলে কুরআন দাবী করে হাদিসের বিষোদগার করে বিভিন্ন স্থানে মহানবী(সা:) কে অবমাননা ও কটাক্ষ করে কথা বলেন। তার মতবাদের সমর্থন দিতে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের সহকর্মীদের কাছেও প্রস্তাব দেন। একইসাথে তিনি এসব অপব্যাখ্যা সমূহ ফেসবুকের মেসেঞ্জারে সকলকে ক্ষুদে বার্তা পাঠান। অনেকের কাছে বিষয়টি বিরক্তিকর মনে করে তাকে নিষেধ করলে তিনি নিষেধ উপেক্ষা করে বার বার বার্তা প্রেরণ করতেন। বিষয়গুলো জানাজানি হবার পর মাটিরাঙ্গার তৌহিদী জনতার ব্যানারে তার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
মাটিরাঙ্গা ইমাম ও ওলামা কল্যাণ সমিতি, কওমী মাদ্রাসা ওলামা ঐক্য পরিষদ, ইসলামী আইন গবেষণা পরিষদ, ইসলাম প্রচার সংস্থা, খিদমাতুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন সহ মাটিরাঙ্গার সকল ইসলামী দলগুলো মানববন্ধনে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা কথিত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য ১০ দিন সময় দেয়া হয়। তাকে তার ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে তওবা করে প্রকৃত ইসলামে ফেরত আসার ১০ দিনের সময় দেয়া হয়। এছাড়া ও ইসলাম অবমাননাকারী যেই হোক না কেনো কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দেন তারা। মাটিরাঙ্গার ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও সর্বস্তরের জনসাধারণ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।
আরএস