ফেনী প্রতিনিধি
এপ্রিল ২, ২০২৫, ০৯:১৬ পিএম
ফেনী প্রতিনিধি
এপ্রিল ২, ২০২৫, ০৯:১৬ পিএম
বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. আব্দুল্লাহ বলেছেন, "জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর গত সাত মাসে আমরা মুক্ত সাংবাদিকতা করতে পারছি। আগে সংবাদ প্রকাশ করলে হামলা, মামলা ও গুম হওয়ার ভয় থাকত, এখন আর নেই।"
তিনি বলেন, "মুক্ত সাংবাদিকতায় আমরা দায়িত্বহীন জায়গায় চলে যাচ্ছি। এই মুক্ত সাংবাদিকতার কারণে আগামী দিনে আমাদের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করি। আমরা যারা এই পেশাকে লালন করি ও ধারণ করি, তাদের দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে। সাংবাদিকতার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। গণমাধ্যম কমিশনের সুপারিশে বাংলাদেশের সাংবাদিকতায় নতুন ধরনের বিবর্তন আসতে যাচ্ছে।"
সম্প্রতি বিভিন্ন জেলায় সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুতির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "সাংবাদিক ইউনিয়নের কাজ হলো সাংবাদিকদের কাজে লাগানো, কর্মহীন করা নয়।"
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঈদ আনন্দ আড্ডা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও দৈনিক ফেনীর সময় সম্পাদক মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও এটিএন বাংলা প্রতিনিধি দিদারুল আলমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার রেদোয়ান হোসেন, প্রথম আলোর বিশেষ প্রতিনিধি সেলিম জাহিদ, ড. নিজাম উদ্দিন, এসএ টিভির অ্যাসাইনমেন্ট এডিটর বুরহান উদ্দীন ফয়সাল, ঢাকা পোস্টের আদিত্য রিপন, মোস্তাফিজুর রহমান, আমির হোসেন জনি, আরমান ও বিডি ক্রিকেটের প্রতিনিধিরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক আবু তাহের, একেএম আব্দুর রহিম, মুহাম্মদ আবু তাহের ভূঞা, মামুনুর রশিদ, শুকদেব নাথ তপন, আরিফুল আমিন রিজভী, শাহজালাল ভূঁইয়া, মাইন উদ্দিন, নূর তানজিলা, এম. ইউসুফ আলী, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, আলী হায়দার মানিক, কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, সমির উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. ওমর ফারুক, তোফায়েল আহমেদ নিলয়, শফিউল্লাহ রিপন, নূর উল্লাহ কায়সার, ডালিম হাজারী, ফিরোজ আলম, আলাউদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, জহিরুল হক মিলন, হাবীব মিয়াজী, এম.এ. আকাশ, মোল্লা ইলিয়াস, ফখরুল ইসলাম, আরাফাত রুবেল, দুলাল তালুকদার, রাসেল চৌধুরী, নজির আহমদ রতন, আজিজ আল ফয়সাল, আব্দুল কাইয়ুম সোহাগ, এম.এ. তাহের পন্ডিত, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মাহমুদুল হাসান, সাইফুল ইসলাম হিরন, মহিউদ্দিন ও রাজনসহ জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীরা।
ইএইচ